1. admin@creativegaibandha.com : Admin :
  2. creativegaibabdha@gmail.com : creative gaibabdha : creative gaibabdha
দেশের মাটি কাউকে ফিরিয়ে দেয় না: তিন বন্ধুর সাফল্যের গল্প
শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ১১:৩১ অপরাহ্ন

দেশের মাটি কাউকে ফিরিয়ে দেয় না: তিন বন্ধুর সাফল্যের গল্প

সৃজনশীল গাইবান্ধা
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৮ Time View
দেশের মাটি কাউকে ফিরিয়ে দেয় না: তিন বন্ধুর সাফল্যের গল্প
দেশের মাটি কাউকে ফিরিয়ে দেয় না: তিন বন্ধুর সাফল্যের গল্প

করোনার থাবা চাকরি কেড়ে নিলেও হতাশ হননি তিন বন্ধু। শুধুমাত্র মাটির উপর ভর করে অভিশপ্ত এই অণুজীবকে আশীর্বাদে পরিণত করে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তারা। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম ছত্রগাছা ঘুরে এসে তিন বন্ধুর সাফল্যের গল্প তুলে ধরেছে সময় নিউজ। আমের মুকুলের জন্য ফাল্গুনের অপেক্ষা নয়, গুটির জন্য চৈত্র আর জ্যৈষ্ঠে মিলবে আমের স্বাদ। সেই দিন বদলে গেছে। এখন বারোমাসই রসালো এই ফলের স্বাদ পাওয়া যায়, ভোক্তাদের অনেকেরই অজানা। গাইবান্ধার নিভৃত পল্লীর তিন বন্ধু রুবেল মন্ডল, মাসুদ রানা ও জাহিদ হাসান জয়ের কঠোর পরিশ্রমে ঠিকই ধরা দিয়েছে সাফল্য।

উদ্যোক্তাদের একজন জাহিদ হাসান জয় জানান, ঢাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন তারা। করোনার হানায় চাকরি হারাবার পর অনেকের মতো তারা তিন বন্ধুও হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। রাজ্যের দুশ্চিন্তা এসে ভর করে মাথার ওপর। কি করবেন, জীবনই বা চলবে কিভাবে। ইউটিউবে নজরে আসে আমের বাগান। কাটিমন জাতের আম। সারা বছর আম পাওয়া যায়। এরপর তিনবন্ধু এক হয়ে সিদ্ধান্ত নেয় কাটিমনের বাগান গড়ে তুলবেন তারা।
যেমন সিদ্ধান্ত তেমন কাজ। ৬০ হাজার টাকায় ১৫ বছরের জন্য ৪ বিঘার একটি জমি ভাড়া করেন তারা। এরপর কুষ্টিয়ার চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে ১ লাখ টাকায় ৫শ আমের চারা সংগ্রহ করেন। শুরু হয় তিন বন্ধুর কঠোর শ্রম। মাত্র ২ মাসের মাথায় আমের মুকুল আসে। শুরু হয় বাড়তি যত্ন। মুকুল থেকে গুটি তারপর আম। প্রথমবার আম বিক্রি করে হাতে আসে ৯০ হাজার টাকা।
এরপর শুধু আমের ভরসায় না থেকে শুরু হয় চারা উৎপাদন। আম ছাড়াও বিক্রি হতে থাকে লাখ লাখ টাকার চারা।
রুবেল মন্ডল জানান, এখন পর্যন্ত বাগান থেকে বিক্রি হয়েছে তিন লাখ টাকার আম। লক্ষাধিক টাকার গাছের চারা বিক্রির পরও তাদের হাতে পঁচিশ হাজার বিক্রি উপযোগী আমের চারা আছে। যার বাজার মূল্য অন্তত পঁচিশ লাখ টাকা। কৃষি বিভাগও প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা নিয়ে তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খাজানুর রহমান ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, করোনায় বিপদাপন্ন মানুষের কাছ থেকে অনেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেও দেশের মাটি যে কাউকে ফিরিয়ে দেয় না, ওই তিন বন্ধু তারই জ্বলন্ত প্রমাণ। কৃষি বিভাগ থেকে তাদের যত রকম সহযোগিতা প্রয়োজন। সবই দেয়া হচ্ছে। তাদের পাশাপাশি অন্য কেউ আমের বাগান করতে চাইলেও তাদেরকেও সহযোগিতা করবে কৃষি বিভাগ। সুত্র: সময় সংবাদ

অমার জেলা, আমার গল্প

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

অমার জেলা, আমার গল্প

গাইবান্ধা জেলার তরুণরা ভলান্টিয়ার হওয়ার গল্প পাঠাও

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:০৬
  • ১২:১৪
  • ৪:২৪
  • ৬:০৬
  • ৭:১৯
  • ৬:১৭

অমার জেলা, আমার গল্প

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫৪৯,১৮৪
সুস্থ
৫০১,১৪৪
মৃত্যু
৮,৪৪১
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু

উষ্ণতার ছোঁয়া

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৫৪৯,১৮৪
সুস্থ
৫০১,১৪৪
মৃত্যু
৮,৪৪১
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৬৩৫
সুস্থ
৬৭৬
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০
Theme Customized BY ITPolly.Com