1. admin@creativegaibandha.com : Admin :
  2. creativegaibabdha@gmail.com : creative gaibabdha : creative gaibabdha
শারীরিক সম্পর্কের পরই রক্তক্ষরণে মারা গেল কিশোরী নববধূ
মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতির জনকের ভাস্কর্য ভাঙার মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন শুভেচ্ছা ভালোবাসায় ‘ছবিওয়ালা’ খ্যাত ফটো সাংবাদিক কুদ্দুস আলমের জন্মদিন পালন গোবিন্দগঞ্জ স: কলেজের অধ্যক্ষের মাদার তেরেসা `অ্যাওয়ার্ড’ লাভ স্বাধীনতা বিরোধীরা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে – ডেপুটি স্পীকার গইবান্ধায় পুলিশের সাথে মহিলা পরিষদের মতবিনিময় সভা মহান বিজয়ের মাস শুরু ফুলছড়িতে সমন্বিত পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা পলাশবাড়ীতে ৪২তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ীতে মুখে মাস্ক পরিধান না করায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক জরিমানা আদায় বরাদ্দকৃত টাকা শিশুদের পুষ্টিকর খাবারে ব্যয় করবেন -ডেপুটি স্পিকার

শারীরিক সম্পর্কের পরই রক্তক্ষরণে মারা গেল কিশোরী নববধূ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ২০ Time View
শারীরিক সম্পর্কের পরই রক্তক্ষরণে মারা গেল কিশোরী নববধূ

বাল্যবিয়ের বলি হলো অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী নূর নাহার (১৪)। অভাব ঘোচাতে আর কিশোরীর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় পড়ার টেবিল থেকে তুলে বসানো হয় বিয়ের পিঁড়িতে। মাস খানেক আগেই লাল শাড়ি আর মেহেদী পরে কনের সাজে শ্বশুরবাড়িতে যায় নূর নাহার। কিন্তু মাত্র ৩৪ দিনের মাথায় জীবনের ইতি টানতে হলো তাকে।

নিহত নূর নাহারের স্বামীর বাড়ির পক্ষ থেকে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসার প্রস্তাব দেয়া হলেও আইনি প্রক্রিয়ায় এর বিচার না হলে বাল্যবিয়ের বলি অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী নূর নাহারের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে না বলে দাবি সচেতন মহলের।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নূর নাহারের বাবা সখীপুর উপজেলার নলুয়া কলাবাগান গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় তিনি রিকশাচালক। আর মা গার্মেন্টসকর্মী। অভাবের সংসারে তার দিনমজুর নানা উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের কলিয়া গ্রামের বাসিন্দা লাল খান চার বছর বয়সে নূর নাহারকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরপর তাকে স্কুলে ভর্তি করান। নূরনাহার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

গত ২০ সেপ্টেম্বর উপজেলার ফুলকি পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ৩৪ বছর বয়সী ছেলে প্রবাস ফেরত রাজিব খানের সঙ্গে বিয়ে হয় নূর নাহারের। বিয়ের সময় নানা লাল খানের প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়। এই টাকার জোগান দেন তার আত্মীয়-স্বজনরা।

তবে মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় তাদের বিয়ের রেজিস্ট্রি হয়নি। অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে হওয়ায় শারীরিক সম্পর্কের পরই নূর নাহারের রক্তক্ষরণ শুরু হয়। রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নূরনাহার ও রাজিবের পরিবারে আলোচনা হয়।

পরে রাজিবের পরিবারের পক্ষ থেকে গ্রাম্য করিবাজ দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। এতেও ফল না পাওয়ায় গত ২২ অক্টোবর নূর নাহারকে ভর্তি করা হয় টাঙ্গাইলের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে।

ওই ক্লিনিকে নূর নাহারকে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিয়ে স্বামী রাজিব ও তার পরিবার কৌশলে কেটে পড়ে। পরে অবস্থার অবনতি হলে নূরনাহারের পরিবার তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ সময় মেয়েটির চিকিৎসা করানোর মতো টাকাও ছিল না গরিব পরিবারটির হাতে। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় গ্রামবাসী প্রায় ৬০ হাজার তুলে দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য নূর নাহারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে তার পরিবার।

কিশোরী নববধূর এমন দুঃসময়েও শ্বশুরবাড়ির কোনো লোকই ছিলোনা পাশে। অবশেষে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে মৃত্যু হয় তার। পরদিন রোববার (২৫ অক্টোবর) ময়নাতদন্ত শেষে তাকে তার নানার বাড়ির কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নূর নাহারের নানা লাল খান বলেন, মেয়ের জামাইয়ের অভাবের কারণে নাতনি নূর নাহারকে ছোটকালেই আমার বাড়িতে নিয়ে আসি। দিনমজুরি করেও তাকে লেখাপড়া করাচ্ছিলাম। ছেলে প্রবাসী ও ধনী হওয়ায় মেয়েটির সুখের কথা ভেবে আমরা নূর নাহারকে বিয়ে দিই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে আর বাঁচাতেই পারলাম না।

মৃত্যুর পর নূর নাহারের স্বামী রাজিব তার লাশটি পর্যন্ত দেখতে আসেননি। মূলত স্বামীর কারণেই আমার নাতনির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

শারীরিক সম্পর্কের পরই রক্তক্ষরণে মারা গেল কিশোরী নববধূ

অপরদিকে নূর নাহারের স্বামী রাজিব খান, শ্বশুর ও শাশুড়িসহ বাড়ির লোকদের দাবি, ‘আগে থেকেই মেয়েটির জরায়ুতে টিউমার ছিল। মেয়ের অসুস্থতা গোপন করে বিয়ে দিয়েছে তার নানা। তারপরও আমরা চিকিৎসায় কোনো কৃপণতা করিনি।’

তারা জানান, ‘ক্লিনিকের ডাক্তার যখন ঢাকায় রেফার্ড করেন তখন নূর নাহারের পরিবারকে জানানো হয়। তারা এসে ঢাকায় নিয়ে যায়। পরে ঢাকাতে যেতে চাইলে তারা নিষেধ করে। পরে মৃত্যুর সংবাদ শুনে গেলে ওই বাড়ির লোকজন আমাদের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করেন।

এমনকি রাজিবকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে ঘটনাটি জানালে তিনি আমাদের বাড়িতে চলে আসতে বলেন। তাই আমরা বাড়িতে চলে আসি।’

কাউলজানী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, স্বামীর পরিবারের লোকজন আমার কাছে অভিযোগ করেন মৃত নূর নাহারের বাড়িতে তাদের যেতে দেয়া হচ্ছে না। পরিবেশ অস্বাভাবিক না হওয়ায় আমি তাদের ওই বাড়িতে যেতে বারণ করি। এছাড়াও তাদের মারধর করা হয়েছিল বলে শুনেছেন তিনি।

কলিয়া সরকারি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, আমরা নিয়মিতই শিক্ষার্থীদের খোঁজ-খবর নিয়ে থাকি। হঠাৎ করেই গোপনে নূর নাহারকে তার পরিবার বিয়ে দিয়ে দেয়। নুরনাহার মেধাবী ছাত্রী ছিল। অষ্টম শ্রেণিতে তার রোল নম্বর ছিল ২। তার মৃত্যু সংবাদ খুবই কষ্টদায়ক। আর কোনো নূর নাহার যেন বাল্যবিয়ের বলি না হয়।

নূর নাহারের মামা লুৎফর খান বলেন, বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামছুন নাহার স্বপ্না বলেন, বাল্যবিয়ের শিকার হয়ে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। শুধু আইন দিয়ে নয়, সামাজিকভাবে বাল্যবিয়ে নির্মূল করতে হবে।

সুত্র: জাগো নিউজ

উষ্ণতার ছোঁয়া

অমার জেলা, আমার গল্প

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উষ্ণতার ছোঁয়া

অমার জেলা, আমার গল্প

গাইবান্ধা জেলার তরুণরা ভলান্টিয়ার হওয়ার গল্প পাঠাও

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:১০
  • ১১:৫১
  • ৩:৩৫
  • ৫:১৪
  • ৬:৩২
  • ৬:২৪

অমার জেলা, আমার গল্প

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৪৬৭,২২৫
সুস্থ
৩৮৩,২২৪
মৃত্যু
৬,৬৭৫
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬৩,২২৭,৬০৫
সুস্থ
৪০,৫২১,২১০
মৃত্যু
১,৪৬৭,৮৯৪

উষ্ণতার ছোঁয়া

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪৬৭,২২৫
সুস্থ
৩৮৩,২২৪
মৃত্যু
৬,৬৭৫
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,২৯৩
সুস্থ
২,৫১৩
মৃত্যু
৩১
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০
Theme Customized BY ITPolly.Com