1. admin@creativegaibandha.com : Admin :
  2. creativegaibabdha@gmail.com : creative gaibabdha : creative gaibabdha
লিবিয়ায় যুদ্ধরত দুই পক্ষের স্থায়ী চুক্তি
শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:০৫ অপরাহ্ন

লিবিয়ায় যুদ্ধরত দুই পক্ষের স্থায়ী চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৮ Time View
লিবিয়ায় যুদ্ধরত দুই পক্ষের স্থায়ী চুক্তি
লিবিয়ায় যুদ্ধরত দুই পক্ষের স্থায়ী চুক্তি

লিবিয়ায় যুদ্ধরত দুই পক্ষ দেশটির সব এলাকায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। শুক্রবার লিবিয়ায় নিযুক্ত জাতিসংঘ মিশন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পাঁচদিনের আলোচনা শেষে দেশটির যুদ্ধরত আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী সমর্থিত ত্রিপোলিভিত্তিক সরকার গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ড (জিএনএ) ও খলিফা হাফতারের লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) চুক্তিতে পৌঁছানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এই চুক্তির ফলে লিবিয়ায় দীর্ঘদিনের যুদ্ধ শেষে স্থায়ী শান্তি ফিরতে যাচ্ছে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। যদিও অনেকেই এই চুক্তি স্থায়ী হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। কারণ এর আগেও এ ধরনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও কিছুদিনের মধ্যে তা লঙ্ঘন করে যুদ্ধে লিপ্ত হয় জিএনএ ও এলএনএ।

লিবিয়ায় নিযুক্ত জাতিসংঘ দূত স্টেফানি উইলিয়ামস বলেছেন, শিগগিরই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর। আগামী তিন মাসের মধ্যে সব বিদেশি যোদ্ধাকে বাধ্যতামূলক লিবিয়া ছাড়তে হবে। সম্মুখ সারি থেকে বাহিনীর সদস্যদের প্রত্যাহার এবং সেসব স্থানে একটি নতুন যৌথ পুলিশ বাহিনী নিরাপত্তায় নিয়োজিত হবে।

খলিফা হাফতার বাহিনীর সঙ্গে লিবিয়ার ক্ষমতাসীন সরকারের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর পর এক বছরের বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো শুক্রবার ত্রিপোলি থেকে পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেনগাজির উদ্দেশে একটি বাণিজ্যিক বিমান যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে।

যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ায় লিবিয়ার লড়াইরত দুই পক্ষের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘ দূত স্টেফানি উইলিয়ামস। তবে ছিদ্রান্বেষীদের বিজয়ী হতে দেয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। জাতিসংঘের এই দূত বলেন, যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়া উভয় পক্ষেরই আন্তর্জাতিক সমর্থন প্রাপ্য।

রাজধানী ত্রিপোলিতে ১৪ মাসের লড়াইয়ের পর গত জুনে দেশটির ক্ষমতাসীন জিএনএ সরকার হাফতার বাহিনীকে পরাজিত করে। এরপর আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী সমর্থিত জিএনএর সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাল এলএনএ।

লিবিয়ার সাবেক স্বৈরশাসক মুয়াম্মার আল গাদ্দাফি পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো সমর্থিত বাহিনীর হামলায় নিহত হওয়ার পর থেকে দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শুরু হয়। গাদ্দাফির মৃত্যুর পর ২০১৪ সালে লিবিয়া পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলে বিভক্ত হয়ে যায়। যার নিয়ন্ত্রণ চলে যায় আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী সমর্থিত ত্রিপোলিভিত্তিক সরকার গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ড (জিএনএ) ও খলিফা হাফতারের লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) হাতে।

গত বছর জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরাস শান্তি আলোচনা শুরুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ত্রিপোলি সফর করেন। কিন্তু তার সফরের মাঝেই হাফতার বাহিনী ত্রিপোলিতে হামলা চালায়। শুক্রবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিব লিবিয়ার উভয় পক্ষের প্রশংসা করেন।

আগামী মাসে তিউনিশিয়ায় গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ড (জিএনএ) ও খলিফা হাফতারের লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা।

উষ্ণতার ছোঁয়া

অমার জেলা, আমার গল্প

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উষ্ণতার ছোঁয়া

অমার জেলা, আমার গল্প

গাইবান্ধা জেলার তরুণরা ভলান্টিয়ার হওয়ার গল্প পাঠাও

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:১০
  • ১১:৫৩
  • ৩:৩৫
  • ৫:১৪
  • ৬:৩৩
  • ৬:২৭

অমার জেলা, আমার গল্প

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৪৭৩,৯৯১
সুস্থ
৩৯০,৯৫১
মৃত্যু
৬,৭৭২
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬৪,৫২০,৩৫০
সুস্থ
৪১,৪৮৮,৪০৬
মৃত্যু
১,৪৯৩,৬২৪

উষ্ণতার ছোঁয়া

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪৭৩,৯৯১
সুস্থ
৩৯০,৯৫১
মৃত্যু
৬,৭৭২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,২৫২
সুস্থ
২,৫৭২
মৃত্যু
২৪
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০
Theme Customized BY ITPolly.Com