1. admin@creativegaibandha.com : Admin :
  2. creativegaibabdha@gmail.com : creative gaibabdha : creative gaibabdha
পাহাড়ের বুকে সবুজের সমারোহ
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পলাশবাড়ি পৌর নির্বাচন উৎসব মুখর পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠভাবে অনুষ্ঠিত হবে – নির্বাচন কমিশনার গাইবান্ধার একমাত্র ভারী শিল্প রক্ষার দাবীতে সড়ক অবরোধ দেশের উন্নয়নে নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ নারী সমাজ গোবিন্দগঞ্জে পাটবীজ চাষীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা গাইবান্ধায় অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীর মাঝে বিনামূল্যে সহায়ক উপকরণ বিতরণ শেখ হাসিনার নির্দেশে ভার্চুয়াল ক্লাস চালু হয়েছে -ডেপুটি স্পীকার পরিবার ও পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অ্যাডভোকেসি সভা কোনোভাবেই ভার্চুয়াল ক্লাস বন্ধ হবে না: ডেপুটি স্পিকার সাদুল্লাপুরে একঝাঁক সাংবাদিক নিয়ে “জাগো২৪.নেট” এর যাত্রা শুরু সাদুল্লাপুরে রাতের বেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কম্বল দিলেন চেয়ারম্যান-ইউএনও

পাহাড়ের বুকে সবুজের সমারোহ, দৃষ্টি পড়েনি কারো!

রাঙামাটি প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৫ Time View
পাহাড়ের বুকে সবুজের সমারোহ
ছবি: চা বাগান

পার্বত্য চট্টগ্রামের অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। কেননা প্রকৃতি যেনো এখানে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে সবটা উজার করেই। পার্বত্য চট্টগ্রামের বন, পাহাড়, ঝিরি-ঝর্ণা যেকোনো ভ্রমণপিপাসু পর্যটককে মুগ্ধ করবেই। তবে এই বিস্তীর্ণ সবুজ পাহাড়ে পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠছে ওয়াগ্গা চা বাগান।
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত ওয়াগ্গা চা বাগানটি পাহাড়ের ঘুরে আসা পর্যটক ও স্থানীয় অধিবাসীদের কাছে ভ্রমণের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। নীলাভ সবুজ চা এর সমারোহে যে কোনো মানুষ গেলেই সবুজের মাঝে নিজেকে হারিয়ে যেতে চাইবে। তবে এটি বেশ পুরনো চা বাগান হলেও তেমন প্রচারণা না থাকায় সবুজ পাহাড়ের বুকে যে এমন চায়ের বাগান রয়েছে তা জানেনই না অনেকেই।

পাহাড়ের বুকে সবুজের সমারোহ

চা বাগান

জানা গেছে, ১৮৮৬ সালে ব্রিটিশ নাগরিক মিস্টার ডরিন এর নেতৃত্বে কর্ণফুলী নদীর উভয় তীরে ওয়াগ্গাছড়া এলাকায় চা বাগান সৃজনের কাজ শুরু হয়। প্রায় ৫০ বছর সময়কাল চা বাগানের কর্তৃত্ব ব্রিটিশদের হাতে থাকার পর এটির হাত বদলের ধারাবাহিকতায় চা বাগানের মালিকানা লাভ করেন নুরুল হুদা কাদেরী। বর্তমানে কাদেরী পরিবারের ব্যবস্থাপনায় ‘ওয়াগ্গা টি লিমিটেড’ নাম দিয়ে চা শিল্পের পরিচালনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ টি রিসার্স ইনস্টিটিউটের নতুন উদ্ভাবিত প্রায় সব কয়টি জাতই এ চা বাগানে চাষ করা হচ্ছে। ৩৭০ হেক্টর আয়তনের এ বাগানে বাগান কর্তৃপক্ষের নিজস্ব একটি ফ্যাক্টরিও রয়েছে। যাতে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হচ্ছে।

পাহাড়ের বুকে সবুজের সমারোহ

চা বাগান

চা বাগানে যেতে হলে চট্টগ্রামের বদ্দারহাট হতে সড়ক পরিবহন যোগে কাপ্তাই উপজেলায় যেতে হবে। কাপ্তাই যাওয়ার আগে বড়ইছড়ি উপজেলা হেড কোয়ার্টারে নামতে হবে। এখানে নেমে ওয়াগ্গাছড়া চা এস্টেট এর নৌকা যোগে কর্ণফুলী নদী পার হয়ে ওয়াগ্গাছড়া চা বাগান যেতে হবে। আর কেউ যদি রাঙামাটি শহর যেতে চান, তাহলে রাঙামাটি শহর থেকে কাউখালী উপজেলার ঘাগড়াবাজার হয়েই সড়কযোগে কাপ্তাই পৌঁছাতে পারবে। তবে ব্যক্তি মালিকানাধীন বাগান হওয়ায় এক্ষেত্রে অবশ্য চা বাগানে যেতে হলে সংশ্লিষ্টদের অনুমতির বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

পাহাড়ের বুকে সবুজের সমারোহ

পাহাড়ের বুকে চায়ের বাগান

এ বাগানে যারা কাজ করেন থাকেন তাদের সবাই স্থানীয় বাসিন্দা। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মানুষও জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। ৩৭০ হেক্টর আয়তনের চা বাগানটি বেশ কয়েকটি পাহাড়ে বিভক্ত। চা বাগানের ভেতর দিয়ে স্থানীয় একটি মারমাপাড়ায় যাওয়া যায়। উজানছড়ি পাড়া নামের এই পাহাড়ি আদামে মারমা জনগোষ্ঠীর বসবাস। তারা অনেকটাই সহজসরল জীবনযাপন করেন। যা পাড়ার পরিবেশ দেখেই যে কেউ মুহূর্ততের মাঝেই অনুভব করতে পারবে।

উজানছড়ি মারমা পাড়ায় বাসিন্দারা জানান, চা বাগানে ঘুরতে এসে অনেকেই তাদের পাড়ায় বেড়াতে যান। পাড়াবাসী আগত মেহবানদের পাড়ায় স্বাগত জানান। ওয়াগ্গা চা বাগানে কর্মরত শ্রমিক রাজন দাশ জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই এই চা বাগানে কাজ করছেন। এটি সেখানকার বেকারদের কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। সাধারণত চা বাগানে বিভিন্ন সময়ে নানান জায়গার মানুষ ঘুরতে আসছেন। দিনদিন পরিচিতি বাড়ায় ভ্রমণপ্রেমীদের সংখ্যা আরও বাড়ছে।

পাহাড়ের বুকে সবুজের সমারোহ

চা পাতা

রাজন জানান, চা বাগানে প্রবেশের জন্য আগে আমাদের সাহেবের (মালিক) অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি নিয়ে এখানে মানুষজন ঘুরতে আসেন। তারা নিজেরা নিজেদের মতোই চারপাশ ঘোরাঘুরি করতে পারেন। এক্ষেত্রে চা বাগানের কোনো ধরনের বিনষ্ট না করলেই হলো। কাপ্তাইয়ের বাসিন্দা ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী অর্ণব মল্লিক বলেন, সম্প্রতি আমি বেশ কয়েকজন মিলে চা বাগান ঘুরে এসেছি। চা বাগানের যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই সবুজের সমারোহ। কাপ্তাইয়ে বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছে এখন দিনদিন এই চা বাগানটি আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

চা বাগানে কথা হয় বেড়াতে আসা সুমাইয়া, তাসলিমা ও সাইফুল ইসলামের সাথে। তারা জানান, কাপ্তাইয়ে বিভিন্ন সময়েই ঘুরতে আসি। আমাদের চট্টগ্রাম শহর থেকে কাপ্তাই অনেকটা কাছেই। তবে চা বাগানে এই প্রথমবারই এলাম। চা বাগানের পরিবেশ আমাদের মুগ্ধ করেছে।

উষ্ণতার ছোঁয়া

অমার জেলা, আমার গল্প

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

উষ্ণতার ছোঁয়া

অমার জেলা, আমার গল্প

গাইবান্ধা জেলার তরুণরা ভলান্টিয়ার হওয়ার গল্প পাঠাও

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:১০
  • ১১:৫১
  • ৩:৩৫
  • ৫:১৪
  • ৬:৩২
  • ৬:২৪

অমার জেলা, আমার গল্প

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৪৭১,৭৩৯
সুস্থ
৩৮৮,৩৭৯
মৃত্যু
৬,৭৪৮
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু

উষ্ণতার ছোঁয়া

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪৭১,৭৩৯
সুস্থ
৩৮৮,৩৭৯
মৃত্যু
৬,৭৪৮
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,৩১৬
সুস্থ
২,৫৯৩
মৃত্যু
৩৫
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০
Theme Customized BY ITPolly.Com