ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ জুলাই ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. কনভার্টার
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. খেলাধুলা
  7. গাইবান্ধা
  8. গাইবান্ধা সদর
  9. গোবিন্দগঞ্জ
  10. চাকুরী
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. পলাশবাড়ী
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুন্দরগঞ্জে পানির অভাবে পাট পঁচাতে না পেরে বিপাকে পাট চাষীরা : হাটে আগাম পাটের আমদানি : মূল্য কম

Admin
জুলাই ২৯, ২০২১ ২:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বর্ষা মৌসুমে এবার বৃষ্টির প্রবণতা কম থাকায় এবং শেষ পর্যায়ে একেবারেই বৃষ্টি না থাকায় এবং প্রচÐ গরম ও প্রখর রোদ্র তাপের কারণে ইতোমধ্যে গ্রামাঞ্চলে খাল-বিল, ডোবাগুলে তে পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে গাাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাট চাষীরা পানির অভাবে পাট পঁচাতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছে। এদিকে হাট-বাজারগুলোতে আগাম চাষ করা পাটের আমদানি শুরু হয়েছে। বাজারে ক্রেতা কম থাকায় সঠিক মূল্য না পাওয়ায় পাট চাষীরা পাট বিক্রি করতে পারছেন না।

বিশেষ করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নদী, নালা, খাল, বিল, পুকুর, ডোবা ও নিচু এলাকায় পানি না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পাট পঁচানোর জাগগুলো। এতে এই এলাকায় পাট উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকা করছেন পাট চাষীরা। অনেক এলাকায় স্যালো মেশিন ও মটার দিয়ে পানি দিচ্ছে পুকুর ও নিচু এলাকায়। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি নিচে নেমে যাওয়ায় শাখা নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় পাট জাগ শুকনা স্থানে পড়ে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৪ হাজার ২৭২ হেক্টর জমিতে তোষাপাট চাষাবাদ হয়েছে। বিশেষ করে বেশীর ভাগ পাট চাষ হয়েছে তিস্তার চরাঞ্চলে। ফলনও ভাল হয়েছে। এদিকে যে সমস্ত এলাকায় আগাম পাট চাষ করা হয়েছে সেসব এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পাট বাজারে আনতে শুরু করেছে। কিন্তু বাজারে ক্রেতা না থাকায় সঠিক মূল্য পাচ্ছে না। বিশেষ করে সদর উপজলার কামারজানি, ফুলছড়ি, সাঘাটার পাটের হাট-বাজারগুলো অনুসন্ধান করে জানা গেছে এখন প্রতিমণ তোষাপাট গ্রেড অনুযায়ী ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৮শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তোষাপাটের ফলন ভাল হয়েছে। তবে নদীতে এবং নিচু এলাকায় পানি না থাকায় পাট সঠিকভাবে পঁচাতে না পেরে বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। কারণ বেশী পরিমাণ এবং পরিস্কার পানি না থাকলে পাট পঁচানোর জাগগুলোতে সঠিকভাবে পাট পঁচানো সম্ভব হবে না। ফলে পাটের মান ও গুণাগুন নষ্ট হয়ে যাবে। এতে উপর্যুক্ত মূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশংকা রয়েছে কৃষকদের।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।