গাইবান্ধাসুন্দরগঞ্জ

সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা মানুষ

শীতকালে তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীর পাড়ের মানুষ। ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ ফসলি জমি। উপজেলার হরিপুর, চণ্ডীপুর, কাপাসিয়া ও শ্রীপুর ইউনিয়নের উজানের বিভিন্ন চরে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে।

চণ্ডীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফুল মিয়া জানান, তিন বছর ধরে সারা বছরেই নদী ভাঙছে। যা এর আগে কখনো হয়নি। বিশেষ করে উপজেলার চরচরিতাবাড়ি, চরমাদারীপাড়া, মাদারীপাড়া, কাশিমবাজার, লালচামার, কেরানিরচর, ফকিরেরচর ও কালাইসোতারচর এলাকায় তীব্র আকারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ১০ দিনের ব্যবধানে তিস্তা সেতু পয়েন্ট উজান বোচাগাড়ি এলাকায় ১৫টি পরিবারের বসতভিটা, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে শতাধিক বসতবাড়ি।

চরমাদারীপাড়া গ্রামের হাকিম আলী বলেন, ‘এর আগে মাঘ-ফাল্গুন মাসে কখনো নদীভাঙতে দেখি নাই। তিন বছর ধরে তা হচ্ছে। অসময়ে নদীভাঙন চরবাসীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, বেশ কয়েকটি চরে নদীভাঙন এখনো চলছে। আধা পাকা ফসল, তরিতরকারিসহ আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিফ মণ্ডল জানান, পানি কমে যাওয়ায় উজানে কিছু এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

Back to top button