সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় উঠেছে আলোর ফাঁদ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কৃষকদের কাছে ধানের পোকা দমনে বেশ জনপ্রিয় উঠেছে আলোর ফাঁদ। ফলে ফসল নষ্টের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন কৃষকগণ।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি রোপা আমন মৌসুমে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ২৮ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে। পোকা মাকড়ের আক্রমণে ফসলের যেন ক্ষতি না হয়, সে জন্য দমন করা হচ্ছে ক্ষতিকর পোকা। আর পোকা নির্ণয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে আলোর ফাঁদ। সূর্যাস্তের পরই ক্ষেতের একটু দূরে শক্ত বাঁশ-কাঠ কিংবা তিনটি লোহা দিয়ে স্ট্যান্ট বানাতে হয়। সেখানে একটি পাত্রের মধ্যে পানি ও ডিটারজেন্ট পাউডার মিশ্রণ করে একটি বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে রাখতে হবে। কিছুক্ষণের মধ্যে আলো কেন্দ্র করে ওই পাত্রে আসতে শুরু করে উপকারী ও অপকারী পোকা।
এসব পোকার মধ্যে ক্ষতিকর পোকাগুলো চিহিৃত করতে হয়। সেগুলো নিধন করতে ব্যবহার করতে হচ্ছে, ক্যারাটে, ফাইটার, সুমিথিয়ন, একতারা, ছেতারা ও ভিরতাকো নামের কীটনাশক। এক লিটার পানি ও দুই মিলি ঔষধ মিশ্রণ করে সকালে অথবা বিকালে ¯েপ্র করতে হয়। এভাবেই পোকা-মাকড় দমন করছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে ব্যবহার করা হচ্ছে পার্চিং পদ্ধিতি। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ঘোসপাড়া গ্রামের কৃষক গোপীনাথ চন্দ্র বলেন, এ বছর দুই বিঘা জমিতে আমন ধান চাষা করা হয়েছে। ভালো ফলন পেতে আলোর ফাঁদের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকাগুলো কীটনাশক ছিটিয়ে নিধন করা হচ্ছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হক রাজীব বলেন, যাতে করে কৃষকদের আমন ফসলের ক্ষতি না হয়, সে জন্য আলোর ফাঁদের ব্যবহার করাসহ বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার রাশেদুল কবির বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ কৃষি ফসলের উপর নির্ভশীল। চলতি রোপা আমন মৌসুমে কৃষকদের লাভবান করতে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে