গাইবান্ধাফুলছড়ি

বেশি ভাড়ায় ভোগান্তি সঙ্গী করে ঝুঁকি নিয়েই কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

রোববার (১ আগস্ট) থেকে গার্মেন্টস ও অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ কারণে শনিবার গাইবান্ধার বিভিন্ন জেলার মানুষ কর্মস্থলে যোগ দিতে ঢাকায় ফিরছেন। সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের মধ্যে রাজধানীতে ফেরা মানুষকে পোহাতে হচ্ছে নানা ভোগান্তি। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ট্রাক, পিকআপভ্যান, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনে এবং নদীপথে ঝুঁকি নিয়ে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চেপে গাদাগাদি করে গন্তব্যে ছুটছেনতারা। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ।সেইসঙ্গে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।

সরেজমিন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাটে গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গাদাগাদি করে শত শত নারী-পুরুষ নৌকায় চেপে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। সীমাহীন দুর্ভোগ মাথায় নিয়েই তারা গন্তেব্যে পৌঁছাচ্ছেন।

সদর উপজেলার লাভলী বেগম তার চার বছরের সন্তানকে সাথে নিয়ে রওনা দিয়েছেন। গন্তব্যস্থল ঢাকার মিরপুরে। রোরবার তার পোশাক কারখানা খোলা। যেকোন ভাবে রাতের মধ্যে পৌঁছাতে হবে। এভাবে শত শত মানুষ ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা পার হয়ে জামালপুর এসে ভীড় করেছেন। এখান থেকে যেভাবে পারছে ঢাকার দিকে ছুটছেন।

পোশাক শ্রমিক বেলাল মিয়া বলেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় তাদের ভোগান্তির শেষ নেই। দ্বিগুন তিনগুন ভাড়া দিয়ে ঝুকি নিয়ে তাদের কর্মস্থলে ফিরতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ মুখে যাই বলুক রোববার যোগদান করতে না পারলে সারা মাসের বেতন বন্ধ থাকবে।

এদিকে ট্রাকে শুধু পণ্য পরিবহনের কথা থাকলেও পণ্যবাহী এসব ট্রাক চালকরা শত শথ যাত্রী বহন করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছে। মহাসড়কে পুলিশের চেকপোস্ট থাকলেও পুলিশ কোনো প্রকার ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে করে শত শত ট্রাক কঠোর লকডাউনের মধ্যেও গাদাগাদি করে হাজার হাজার যাত্রী বহন করছে।

Back to top button