Uncategorizedঅর্থনীতিআইন আদালতআন্তর্জাতিকখুলনাচট্টগ্রামচাকুরীঢাকাধর্মপ্রবাসের খবরবরিশালময়মনসিংহরংপুররাজশাহীসম্পাদকীয়সাক্ষাতকারসারাদেশসিলেট

বিধিনিষেধের সপ্তম দিনে গাইবান্ধায় বেড়েছে মানুষ ও যান চলাচল

কঠোর বিধিনিষেধের সপ্তম দিনে সড়কে বেড়েছে যানবাহনের চলাচল ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি। নির্দেশ অমান্য করে জেলা শহর ও উপজেলা সদরগুলোতে বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত তিন চাকার যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় শহরের রাস্তায় মানুষের চলাচল ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান থাকলেও বেশির ভাগ মানুষ হেঁটেই চলাফেরা করছে। বিধিনিষেধে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেড়েছে। অন্যদিকে বিধিনিষেধ অমান্য করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার দায়ে ৬৭ মামলায় ৪৩ হাজার ৮শ’ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

লকডাউনের সপ্তম দিনেও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও গাইবান্ধায় অনেক এলাকায় কিছু দোকানপাট খোলা ছিল। ব্যবসায়িরা একটু সুযোগ পেলেই দোকানের অর্ধেক পাল্লা খুলে অবাধে বেচাকেনা করছেন। এতে করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে লোকজনের চলাচলের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বিশেষ করে প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ শহরতলি এলাকাগুলোতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে দোকান-কর্মচারী ও মালিকদের দাঁড়িয়ে থেকে ভীড় করতে দেখা যায়।

এছাড়া উন্মুক্ত স্থানে কাচাবাজার বসানোর কথা থাকলেও তা পালন করা হচ্ছে না। শহরের পুরাতন বাজারে কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানা তো দুরের কথা, মাস্ক না পড়ে আগের মতই যথারীতি ভীড় করে কেনাকাটা করছে।

অন্যদিকে লকডাউন কার্যকরে প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সেনা সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।

এদিকে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গাইবান্ধায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৭০ জন। এরমধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ১৮, সদরে ১৩, ফুলছড়িতে ৬, সুন্দরগঞ্জে ৩, সাঘাটায় ৩, পলাশবাড়ীতে ১৬ ও সাদুল্লাপুর উপজেলায় ১১ জন রয়েছেন। এনিয়ে জেলায় সর্বমোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬৭৬ জন। এরমধ্যে ২ হাজার ৬৩৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত জেলায় ৩৪ জন করোনায় মারা গেছেন। েেজলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সুত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

Back to top button