গাইবান্ধাফুলছড়ি

ফুলছড়িতে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে কঠোর ব্যবস্থা

স্বাস্থ্যবিধি না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মােহাম্মদ আলাউদ্দিন। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার কালিরবাজার, আনন্দ বাজার, মদনেরপাড়া, একাডেমী, বালাসীঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলােতে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আদালত পরিচালনাকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের মাধ্যমে মানুষকে মাস্ক পরাতে বাধ্য করা হচ্ছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরও বলেন, ‘প্রতিদিনই করােনায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার এরই মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ করাসহ কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করে। ফুলছড়িতে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে বিধি-নিষেধ আরােপ করেছেন। সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে বলা হচ্ছে। এ অবস্থায় ওমিক্রনের সংক্রমণ রােধে স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য নির্দেশনা মেনে চলা ছাড়া আর কোনাে উপায় নেই। এরপরেও যারা মাস্ক পড়বেন না তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ডসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে সরগরম উপজেলার বাজারগুলাে। হাট-বাজারে ক্রেতাবিক্রেতার সমাগম চলছে আগের মতােই। মানুষের ভিড় থাকলেও কারও মধ্যেই স্বাস্থ্যবিধি মানার আগ্রহ নেই। বেশিরভাগ ক্রেতাবিক্রেতার মুখে মাস্ক নেই। সবাই চলছে নিজের খেয়াল-খুশিমতাে। নরাপদ শারীরিক দূরত্ব মানছেন না কেউই। যে যার মত চলাফেরা করছেন। এ দৃশ্য দেখে বােঝার উপায় নেই যে, দেশে করােনা মহামারির আরেকটি ঢেউ শুরু হয়ে গেছে। বাজারে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছে মাস্ক পরছেন না কেনাে জানতে চাইলে তারা নানা মুক্তি দেখাচ্ছেন।

এ অবস্থায় করােনার বিস্তার রােধে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করার জন্য উপজেলা প্রশাসন মাঠে নেমেছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে রােববার থেকে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। তারা বলছেন, প্রথমে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বাড়ানাের চেষ্টা চালানাে হচ্ছে। তাতে কাজ না হলে, তারা জেল-জরিমানার পদক্ষেপ নেবেন।

Back to top button