কৃষি ও প্রকৃতিগাইবান্ধাপলাশবাড়ী

পলাশবাড়ীতে বাড়ি বাড়ি সবজি ও ফলফলাদির বাগানে আগ্রহ বাড়ছে

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পারিবারিক পুষ্টি বাগান দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এলাকার সবজির চাহিদা পূরণে পারিবারিক পুষ্টি বাগান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ফসল উৎপাদনে করোনাকালীন কোনো প্রভাব না পড়ে সেই লক্ষ্যে প্রতি ইঞ্চি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দেন। সে লক্ষে পুকুরপাড়, বসতবাড়ির আঙ্গিনাসহ পতিত জমিতে পুষ্টি বাগান স্থাপন করে একদিকে যেমন এলাকার পুষ্টির চাহিদা পুরণ হচ্ছে অন্যদিকে কৃষকরা আর্থিক ভাবে এর সুফল পাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২০২১ অর্থ-বছরে অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় ১৭টি প্রদর্শনী স্থাপন ছাড়াও ব‍্যক্তি উদ্যোগে অনেকে এখন পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন করেছেন।

এসব বাগানে উৎপাদিত নানা রকমের বিষমুক্ত সবজি কৃষকরা নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে বাজারজাত করে বাড়তি আয় করছেন।

সরেজমিনে পৌরসভার মহেশপুর গ্রামের হান্নান শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর, মহদীপুর ইউনিয়নের বুজরুক বিষ্ণুপুর গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে লালু মিয়ার জমিতে গিয়ে দেখা যায়, ১ একর ৫০ শতাংশ জমিতে লাউ, করলা, লাল শাক, পুঁইশাক, কলমীশাক চাষ করেছেন।

এ বিষয়ে পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা জানান, আমরা বসতবাড়ির আঙিনায় বিভিন্ন বিষমুক্ত সবজির চাষ করে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে কিছু বাজারেও বিক্রি করতে পারছি। এতে করে আমরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ফাতেমা কাউসার মিশু জানান, এ উপজেলায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আগামীতে উপজেলার প্রতিটি বাড়িতে পুষ্টি বাগান স্থাপনের লক্ষ্যে আমরা প্রতিটি কৃষি ব্লকে কাজ করছি। পর্যায়ক্রমে এ পৌরসভাসহ উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে আরো প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে।

Back to top button