গাইবান্ধা

গাইবান্ধা এলজিইডির আওতায় ৯টি ব্রীজের নির্মাণ কাজ সুষ্ঠুভাবে চলছে

গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় বিভিন্ন উপজেলায় পাঁচটি প্রকল্পে ৯টি ব্রীজের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এসব ব্রীজ নির্মিত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিসহ ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার এবং কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে এলজিইডির কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।

গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধার পাঁচটি উপজেলায় প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রীজেস শীর্ষক প্রকল্প (এসইউপিআরবি), রংপুর বিভাগ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প-২, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (আরআইআরডিপি-৩), উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম সড়কে অনুর্ধ্ব ১০০ মিটার সেতু নির্মাণ প্রকল্প এবং বন্যা ও দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ পল্লি সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের (এফডিডিআরআইআরপি) আওতায় ৯টি ব্রীজের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

এসব প্রকল্পের আওতায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নে ৪৫ মিটার, খোলাহাটি ইউনিয়নে ৮১ মিটার ও বোয়ালি ইউনিয়নে ২২ মিটার দীর্ঘ ব্রীজের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৯০ মিটার, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৩০ মিটার, ফুলছড়ি উপজেলায় ৩০ মিটার, সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় ৯৬ মিটার, ৭২ মিটার ও ৩০ মিটার ব্রীজের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

অপরদিকে, “গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পাঁচপীর বাজার-চিলমারী উপজেলা সদর দপ্তরের সাথে সংযোগকারী সড়কে তিস্তা নদীর উপর ১৪৯০মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় তিস্তা নদীর উপর ১৪৯০মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। ব্রীজটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে এ জেলায় সামগ্রিক উন্নয়ন সাধিত হবে এবং একই সাথে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার জনসাধারণ অনেক উপকৃত হবে। এছাড়াও গাইবান্ধার বিভিন্ন উপজেলায় এলজিইডির বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় আরো ৬টি ব্রীজ নির্মাণের জন্য দরপত্র আহবানের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলাম বলেন, এসব ব্রীজের নির্মাণ কাজ শেষ হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হবে। সেই সাথে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং কৃষকরা কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেন। সুষ্ঠুভাবে সকল কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। এজন্য কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন।

Back to top button