ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ জুলাই ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. কনভার্টার
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. খেলাধুলা
  7. গাইবান্ধা
  8. গাইবান্ধা সদর
  9. গোবিন্দগঞ্জ
  10. চাকুরী
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. পলাশবাড়ী
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাইবান্ধায় স্মার্টফোনে চলছে লুডু জুয়া

Admin
জুলাই ২৯, ২০২১ ৬:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গাইবান্ধা জেলা শহর এবং উপজেলাগুলোর প্রত্যন্ত এলাকায় মোবাইলে লুডু খেলা এখন জুয়ায় পরিণত হয়েছে। এক সময়ে যে লুডু বোর্ড ছিল কাগজের তৈরি এখন তা মোবাইলে অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যায়। এ মোবাইলের মাধ্যমেই চলছে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে ডিজিটাল জুয়া।

কঠোর লকডাউনের মধ্যে কর্মহীন এবং অলস সময় কাটানো মানুষরা গাইবান্ধা শহর ও শহরতলি এবং গ্রামাঞ্চলগুলোতে স্মার্টফোনে লুডু গেমের মাধ্যমে জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ছেন। স্কুল-কলেজ ও কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ থাকায় ছাত্র, তরুণ, যুবক এমনকি কিশোর বয়সীরাও মোবাইল ফোনে লুডু অ্যাপের এই জুয়া খেলায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। এই লুডু গেমের পাশাপাশি মোবাইলে ফ্রি ফায়ার গেম কেন্দ্রিক জুয়া খেলার প্রবণতা বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে।

স্মার্টফোনে ‘লুডু কিং’ নামে একটি অ্যাপ ইনস্টল করে সর্বোচ্চ আটজন মিলে এ খেলা খেলতে পারেন। খেলার ধরন রয়েছে দুই প্রকার। একটি অনলাইনের মাধ্যমে অপরটি একটি মোবাইলে একইসঙ্গে বসে খেলা। তবে অনলাইন ছাড়া একসঙ্গে চারজনের খেলার প্রবণতা বেশি দেখা গেছে। চারজন মিলে খেললে একেকটি গেম শেষ হতে সময় লাগে প্রায় ৩০ মিনিট। প্রতি গেমে বাজি ধরা হয় ১০০-৫০০ টাকা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ আরও বেশি হয়।

গ্রামাঞ্চলের বাঁশ ঝাড়ের আড়ালে, লকডাউনে গণপরিবহণ রেল চলাচল বন্ধ থাকায় রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নিরিবিলি জায়গায় ৩ থেকে ৪ জন একসাথে বসে মোবাইল ফোনে এই জুয়া খেলছে। এমনকি বিভিন্ন বাসা-বাড়িতেও স্কুল পড়–য়া কিশোর তরুণরা এবং পড়াশোনা থেকে ঝড়ে পড়া কিশোররাও এই জুয়া খেলায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। সকাল থেকে শুরু করে সারাদিন এই খেলা চলতেই থাকে।

জেলায় এই জুয়া খেলা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবারগুলো। এতে আসক্ত হয়ে জুয়ার টাকা জোগাড় করতে বিপদগামী হয়ে পড়ছে তরুণ এবং কিশোররা। মোবাইলের এই লুডু জুয়াকে কেন্দ্র করেই গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি, সাঘাটা, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সাদুল্লাপুর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠছে কিশোর গ্যাং। তারা জুয়ার টাকা জোগাড় করতে নানা অপকর্মেও জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

নাগরিক সংগঠন গাইবান্ধা নাগরিক মঞ্চের সদস্য সচিব এ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু বলেন, এই ডিজিটাল জুয়া বন্ধে এখন পর্যন্ত কোন প্রশাসনিক তৎপরতা না থাকায় এ ধরণের জুয়ার প্রবণতা যেমন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি কিশোর-তরুণ ও ছাত্রদের এই জুয়ায় আসক্তি বৃদ্ধিসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিতে ফেলছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।