ঢাকাশনিবার , ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. কনভার্টার
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. খেলাধুলা
  7. গাইবান্ধা
  8. গাইবান্ধা সদর
  9. গোবিন্দগঞ্জ
  10. চাকুরী
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. পলাশবাড়ী
  14. প্রবাসের খবর
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এ সময়ে মাছ চাষে যেসব যত্ন জরুরি

নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১ ২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

চলছে বর্ষা মৌসুম। এ সময়ে মাছ চাষে নিতে হবে কিছুটা বাড়তি যত্ন। পুকুরকে রোগ বালাই দূরে রাখতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এছাড়া খাদ্যসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনাও সময় মতো নিতে হবে, তবেই সফলতা মিলবে।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক কৃষিবিদ কার্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী এ বিষয়ে জানান, সময় ভেদে মাছ চাষের যত্নে নানা পদক্ষেপ নিতে হয়। সারা বছর একই নিয়মে মাছের যত্ন নিলে ভালো ফল পাওয়া যায় না। তাই মাছ চাষিদের নিচের বিষয়গুলো এই সময়ে খেয়াল রাখতে হবে।

কৃষি তথ্য সার্ভিস জানায়, এ সময়ে পুকুরে সার ব্যবহারের মাত্রা আস্তে আস্তে কমিয়ে ফেলতে হবে। জৈব সার ব্যবহার না করাই ভালো। খাদ্য ঘাটতির জন্য পরিমাণ মতো অজৈব সার ব্যবহার করা দরকার। পুকুরে পর্যাপ্ত আলো বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। পুকুরে নতুন মাছ ছাড়ার সময় এখন। মাছ ছাড়ার আগে পুকুরের জলজ আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।

পুকুর জীবাণুমুক্ত করে সঠিক সংখ্যক সুস্থ সবল পোনা মজুদ করতে হবে।

যেসব পুকুরে মাছ আছে সেসব পুকুরে জাল টেনে মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা দরকার। রোগের আক্রমণ থেকে মাছ রক্ষা করতে স্থানীয় উপজেলা মৎস্য অফিসের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি পুকুরে পাঙ্গাশ মাছের চাষ, ধান ক্ষেতে মাছ চাষ, প্লাবিত এলাকায় ঘেরের মাধ্যমে রাজপুটি ও চিংড়ির চাষ, পুকুরে রুই জাতীয় ও চিংড়ির মিশ্র চাষ এবং প্লাবিত এলাকায় খাঁচায় মাছ চাষ করা যেতে পারে।

বন্যার কারণে অনেক সময় পুকুরের মাছ ভেসে যায়। পুকুরের মাছ ধরে রাখতে চাইলে ভেসে যাওয়া পুকুরগুলোর ১৫ থেকে ২০ মিটার দূরত্বে একটি চটের ব্যাগে ৫ থেকে ৭ কেজি ধানের কুড়া বা গমের ভুসি ৫০ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার পানির নিচে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে দিতে হবে। তবে ব্যাগটিতে অবশ্যই ছোট ছোট ছিদ্র করে দিতে হবে। খাবার পেয়ে মাছ পুকুরেই অবস্থান করবে।

কোনো কারণে পুকুরের পানি যদি দূষিত হয় তবে ভাইরাস, ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে মাছের ক্ষত রোগ দেখা দিতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে দেহের ভারসাম্যহীনতা, শরীরে লাল দাগ দেখা যায়। পরে মাছ ক্ষত রোগে মারা যায়। এ রোগ প্রতিকারে অধিক আক্রান্ত মাছ উঠিয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।

প্রতি শতক পুকরে ১ কেজি চুন ও ১ কেজি লবণ প্রয়োগ করতে হবে। ছোট ও ব্রুড মাছের জন্য প্রতি কেজি খাদ্যের সঙ্গে ৬০ থেকে ১০০ মিলিগ্রাম টেরামাইসিন মিশিয়ে মাছকে খাওয়ানো যেতে পারে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।